পঞ্চম বর্ষ / নবম সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫১

শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৭

রিয়া চক্রবর্তী

জন্ম ইতিহাস

একেবারে নির্ভুলভাবে, নিশ্চিত হয়েই,
আমি বলতে চেয়েছি ইতিহাস
পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের এবং
অপরদিকে ঠিকানাবিহীন গণিকাদের কথা

বন্ধুবান্ধব, শত্রুমিত্র, যে যেখানেই থাকো,
জন্মসূত্রেই রয়েছে জীবনের জটিল রহস্য  
তোমরা যেখানেই থাকো, খুঁজো জীবনের অর্থ,
না হলে বাড়বে প্রতারণা, বলাৎকার, নারীপাচার
ক্রমশ স্পন্দনের আয়ুক্ষয়

তারপর
আমরা ড্রইংরুমে গল্প করতে করতে বলবো -
কই, তেমন কিছু তো ঘটেনি!


আগুন নদী

সময়ের আলিঙ্গনে
মুহুর্মুহু শিহরিত
আমিই ভরা বর্ষা
অভিমানে ছলকে ওঠা নদী
হাতের মুঠোয় নেচে ওঠে
আমার  নগ্ন কৃপাণ
আলোও নই, অন্ধকারও নই
আমি সেই আগুন নদী
ছুঁয়ে এসেছি সুদূর দক্ষিণে
আরোরা অস্ট্রালিস


কোমল আশাবরী

সেই কখন থেকে হারমোনিয়ামের রিড ধরে বসে আছি! একটি স্বরের অপেক্ষায়। বাজো হৃদয়। বাজো সরোজ। বাজো পঞ্চমে। একটি সুরের ভেতরে সমর্পিত থাক আমার প্রাণ। একটি গানের ভেতরে আমার পরিস্নান। কখনো কোমল আশাবরীকখনো তীব্র তান। সুরের সাত মহলায়, বাজো বাজো আমার প্রাণ।


গানের ভেতর লালিত আমার স্বপ্ন। সুরের আলাপে অভিমান। আমি বিদ্ধ হই। পুড়ে যেতে থাকি সমগ্রতায়। রাগে, সংরাগে বারবার ছিঁড়ে যায় যত অমৃত সম্ভার। কখনো মগ্ন মগনে, কখনো অপমানে, সরগমের সাত বাহার। আমি তাকে ছুঁতে চেয়েও ছুঁতে পারি না। সে আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সুর লহরীর আপন লহমায়। কখনো সে বেজে ওঠে কথার মালায়। কখনো সরিয়ে রাখে আমায় অবহেলায়।

0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন