পঞ্চম বর্ষ / দশম সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫২

শনিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০১৮

খায়রুজ্জামান সাদেক


বলতে চাই

আমি নিজের সম্পর্কে বলতে চাই
কীভাবে মোরগ মাছি চুক্তি করছে দেখুন
যার যার মতো খাচ্ছে

আকাশে বৃষ্টি শেষ

কাঁধের যৌথ সম্মেলন
এখন একটি উদ্ধৃতি খোঁজা যায়
ঠিক মতো বসানো যায় বাক্সে

আমি অভিব্যক্তি দেখেছি অনেক
অনেকে বলতে চায়
শুকনো মাঠ নিয়ে
আর তারা বীজ বপন করতে চায়

বছর ভালো গেলে সকলেই সমর্পণ করবে
নিজেকে বীজতলায়
দূরবর্তী তরঙ্গ মহৎ উদ্দেশ্য প্রকাশ করে
আমরা অবশ্যই ডেকে আনব তাদের যারা কাজ করতে চায়


প্লাজমা স্ক্রিন

সংখ্যাতত্ত্বের উপর বসে প্রতিনিধিত্ব করে যে রঙ
তাই কেমন জ্বলন্ত যোগ্য হয়ে ওঠা আগুন
নেচে নেচে এইসব ব্যবহার করে নেমে আসে
ক্ষেতের উপর পড়ে আছে বিজ্ঞাপন
যেমন আখরোট নাসপাতি আপেল পেস্তা বাদামের সাথে
মৌসুমি গুঞ্জন থাকে রাজনীতি থাকে একেকটা গোলটেবিল
ধ্বংসমুখরতা অথবা সাফল্য থাকে দণ্ডমুণ্ড তত্ত্বীয় থাকে উন্মাদ প্লাজমা স্ক্রিন
কখনও ভার বিসর্গ নির্মম সমগ্র ছড়িয়ে পড়ে


সড়ক দ্বীপের মুদ্রা

সড়ক দ্বীপের মুদ্রা মধ্যরাত রাত
ভরা গাঁট চুঁয়ে নামছে
পাঁচের বৈচিত্র্য জেগে উঠছে
আঙুল ছোঁয়া পায়ে পায়ে পথ
কোথাও ধ্যান কোথাও ওঠানামা
সমর্পিত হই জলবিন্দু ধরে
জলডোবা পেরিয়ে যাই
কেউ কি আছে! ধোঁয়ার আস্তরণ ভেদ করে
হাত বাড়াবে এখন! এই তো ভয়!


সূচক

উদ্বিগ্ন সূচক ধরে প্রতিস্থাপিত
কামড়ের বার্ষিক সংখ্যা
কান্নাকাটি মূর্ত জ্ঞান লাভ করে
পৃথিবী সাবধান হয়ে বসে আছে
কারো ঠাণ্ডা অদৃশ্য হাত
বেলা নিষ্ঠুর নরকের কাজ করে
আসন্ন দ্বন্দ্বযুদ্ধে আমরা বিষয়সম্পত্তি ভাগ করি


নদী

নমুনা সংগ্রহে আমি ডুপ্লিকেট সওদা করি
চুলোতে গড়াক ফেনভাত আর পদাবলী
ক্ষেত্র জুড়ে প্রথা ভাঙ্গছে শুকনো নদীর
এই নাও স্বল্পায়তন চোখ জ্বালা উপহার
জ্বলন্ত এফোঁড় ওফোঁড় আসা স্ক্রিন থেকে
নাকের উপর নাক চোখের উপর চোখ
অন্তর্বর্তী প্রদাহ নিয়ে ফিরে এলো নদী
সবাই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নদী ঘুরে দাঁড়াচ্ছে


পদচিহ্ন

প্রতিক্রিয়া বসে আছে তাহলে এবার চল এই সম্পূর্ণ পরিসর জাগরণ সময়ের তোমাকে নিয়ে অতিরিক্ত শীতল বাঁধে ঝাঁকুনি দাও ব্যঞ্জনের ক্ষেত্র থাকুক অনড় জন্মগত প্রাখর্য কেউ চেপে যেতে পারেনি তোমার ভার পদচিহ্নে রইল



0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন