পঞ্চম বর্ষ / দশম সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫২

শনিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০১৮

ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী


এখন উপভোগ কর

এখন উপভোগ কর
এই দুঃখের দিনে পৃথক
নিজের  দিনে অস্থির।
ছবির টানে এখন আমি...
সম্ভাবনাময়  আসবাব
তোমার পায়ে ভালোবাসা জন্মগত,
                      বৃষ্টির দিনে কাছে টানে, আবার কবে আসবে বল?
এই সকল দিনে পথ; রোজ ব্যালকনি থেকে গেট-
এটুকু সান্ধ্য অবসর।


মা আবার কবে আসবে?

আমাদের প্রত্যেককে  পিছনে নিয়ে গেলে একটা গর্ভের সন্ধান পাওয়া
এমন কী তুমি যদি ভেবে থাক ঈশ্বরই আদি
তবে তার হাত ধরে জিজ্ঞেস করি, তুমি কার থেকে এলে?
সে কোমর জুড়ে মাথা রেখে বলেছিল, মা আবার কবে আসবে?

সেই থেকে আমি নিয়েছি একটি প্রশ্ন  
মা আবার কবে আসবে?

তাই তো এখন থেকে
এর কোনও অতীত নেই, ভবিষ্যৎ নেই, উজ্জ্বল স্বপ্ন নেই,
শুধু আছে এই হাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকা


একটি গাছ ও একটি মানুষের অগভীর ব্যস্ততা

এই চিরন্তন
তার নিজস্ব উপলব্ধি - খুঁজে নিতে বলে
সেই শাশ্বত প্রেম চাওয়া;
তবু প্রকারভেদে আমি খুঁজে নিচ্ছি অন্তিম। আর একান্ত সহচরে উপলব্ধি
একটি গাছ ও একটি মানুষের অগভীর ব্যস্ততা।


একবার তার পরে

জানি কীভাবে ...
অন্ধকার হেঁটে চলছে সমানে
একটানা, যদিও পার্শ্ব চরিত্রে
নাম বসিয়ে নিতে পারও, কোনও কিছুরই।
এখন শেখাচ্ছি ...
কীভাবে সমব্যথী হতে হয়
একে একে, অজান্তে ডেকে যাচ্ছি
বারে বারে নাম শব্দ আর কুহক।
একলা তারারা ছুঁয়ে বলে যায়
এই অচলায়তন, এই নিগূঢ় রহস্যাবলি।   

দুঃখ মানুষের মতো করে আসে
আসে নক্ষত্র ধুলোয় উজ্জ্বল জ্বলে যাওয়া
এমনি করে তোমারি পাশে।
এবার তবে যাত্রাপথ সুনির্দিষ্ট হলো, চুপিচুপি
মানুষের মতো করে।

ভোর যেখানে অলীক করছ আমায়
কাছে নিয়ে এস তবে
সেই শব্দের অক্ষয়ধারা
সেই অনিমিখ জেগে থাকা আর

একলা পথের প্রগাঢ় বিস্ময়।
এই পথ, এই মালঞ্চ, ভাসমান বয়ার নীচে
এইটুকুই জল।




                          







0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন