পঞ্চম বর্ষ / দশম সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫২

শনিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০১৮

মেঘ অদিতি


গল্প সংক্রান্তি

ডানায় স্বদেশী রোদ
দূরে চোখের ছল
শূন্যে
হাসে মোহভঙ্গ কাল
ত্রিভুজের কালো আজ চিনিয়ে দিচ্ছে শোক

ছাড়িয়ে উড়ছি যত স্বরভঙ্গ রাত
নদীপথ থেকে
ওড়ে মীনের কেতন
পায়ে পায়ে জড়ানো বন্ধন
খুলে নিলে ঝরে যাবে সব মল্লিকাদের গল্প

শীতকাল

কোথাও থেমে আছে জীবন বাবুর হন্তারক 
দুষণবাতাসে ওড়া কাগজের হাওয়াইজাহাজ
 
আর প্রেমিক ঋতুর কিছু তামাটে দুপুর

পুরনো
সম্পর্কে ফিরে যাবার আগে
হাওয়াঘর উসকে দিচ্ছে আগুন...

যে শহরে আমি থাকি
তার পশ্চিমে বাস করে
সর্বনাশ, পাখি ও গোলাবারুদের আসন্ন শীতকাল

উইটনেস

গল্প থেকে অল্পকাল মুখ সরালে
রোদ হেলে পড়ে তোমার দিকে
জানলায় উইন্ডচাইম টুংটাং

অবিশ্বাস্য! বলে ওঠার আগেই
উইটনেস যদি খুলে
নেয় চোখ, মী লর্ড!
সুর লাগে মনে
'ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে'

গল্প থেকে মুখ ফেরালে সত্যি
হাওয়াদের আজও ঘরে ফেরা দায়

অচেনা

ছেড়ে যাওয়া সব রং আর
রিদমে জাগা চন্দ্রমল্লিকা
ফুরিয়ে এলে মনে হয়
মৃদু হলো আজ হৃদয়ের ভাষা

দ্বিধার মুখের দিকে হু হু
দিন কেটে যায়
এগিয়ে আসে কাঁটাঝোপ, দুরভিসন্ধি
রিমলেসে,
নিজেকেও আর চিনি?
উঁহু! চিনি না...

শুভ জন্মদিন 

উত্তরে হাওয়ার দেশে তোমার ছবিও এক শূন্যস্থান। কোথাও যাবার নেই, কিছু ভাবার নেই, কেবল দোলচেয়ারের মৃদু মৃদু দুলে যাওয়া। তবু নিরুদ্দেশ, তবু বিপ বিপ... সামান্য ফিসফিস, আর বার্থডে উইশ। ফ্লেয়ার ক্যান্ডেল থেকে হেলানো রোদের কথা মনে পড়ে, ভ্রমণের বাইরে চাঁদের পাহাড় সত্যিই কেমন...

আলো ছুঁয়ে দিলে উইন্ডচিটারে জমে স্মৃতির তুলো, একটা স্বপ্ন থেকে আরেকটা স্বপ্নের ভেতর ঘটে চলে মেটামরফসিস। 

তুমি বললে আকাশ ঝলমলে, ফাইট ফাইট! রঙচঙে ছবি, রুশ বইয়ের পাতা আর লুকানো স্নেহ
... পাতারা ধূসর হবার আগে বলি লিখে দাও নীল খাম বেল ফুলের সমাচ্ছন্নতার গল্প। মাঝে দুটো দিন আর। তারপর বাবাকেও দেবো চিঠি...









1 কমেন্টস্: